বাহরাইনের পর্যটন/ভ্রমণ ভিসা: বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য বিস্তারিত নির্দেশিকা

বাহরাইন, পারস্য উপসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রাচ্যের একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য। এর আধুনিক স্থাপত্য, সমৃদ্ধ ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ পর্যটকদের আকর্ষণ করে। বাহরাইন ইন্টারন্যাশনাল সার্কিট, বাব আল বাহরাইন, বাহরাইন ন্যাশনাল মিউজিয়াম এবং এর প্রাণবন্ত সুক (বাজার) পর্যটকদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ। বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য বাহরাইন ভ্রমণের ভিসা প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় তথ্য নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো।

১. ভিসার ক্যাটাগরি (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য):

বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য বাহরাইনের ভিসা মূলত উদ্দেশ্য অনুসারে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত। এখানে পর্যটন/ভ্রমণ সম্পর্কিত প্রধান ক্যাটাগরিগুলো তুলে ধরা হলো:

  • ভিজিট ভিসা (Visit Visa - e-Visa):
    • উদ্দেশ্য: দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন, ব্যক্তিগত ছুটি কাটানো, বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করা, বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া ইত্যাদি।
    • মেয়াদ: সাধারণত ৩০ দিন পর্যন্ত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। এটি একক প্রবেশ (Single Entry) ভিসা হয়ে থাকে, যদিও কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার অপশনও থাকতে পারে, যা যোগ্যতার উপর নির্ভর করে।
    • বিশেষ বিবেচনা: ভিজিট ভিসায় বাহরাইনে কাজ করা বা দীর্ঘমেয়াদী পড়াশোনা করার অনুমতি নেই।
  • ব্যবসায়ী ভিসা (Business Visa):
    • উদ্দেশ্য: ব্যবসায়িক মিটিং, চুক্তি স্বাক্ষর, সেমিনার বা কনফারেন্সে অংশগ্রহণ, নতুন বিনিয়োগের সুযোগ অন্বেষণ বা বাণিজ্যিক চুক্তি সংক্রান্ত অন্যান্য কার্যক্রমের জন্য।
    • মেয়াদ: ভিসার ধরন ও ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী মেয়াদ নির্ধারিত হয়, এবং এটি সিঙ্গেল বা মাল্টিপল এন্ট্রি হতে পারে।
    • আবশ্যকতা: বাহরাইনের কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র আবশ্যক।
  • ট্রানজিট ভিসা (Transit Visa):
    • উদ্দেশ্য: বাহরাইনের মধ্য দিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় দেশে যাত্রার জন্য।
    • মেয়াদ: সাধারণত খুব স্বল্প সময়ের জন্য (যেমন ৭২ ঘণ্টা) জারি করা হয়।

গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা: বাহরাইন বেশ কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য ই-ভিসা (e-Visa) সুবিধা প্রদান করে। বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের নাগরিকরা সরাসরি এই ই-ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন, যদি তাদের নিম্নলিখিত শর্তগুলির মধ্যে অন্তত একটি পূরণ হয়:

  • যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, শেনজেন দেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা সৌদি আরবের বৈধ ভিসা বা রেসিডেন্সি পারমিট (হজ ও উমরাহ ভিসা ব্যতীত)।
  • গাল্ফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (GCC) সদস্য দেশের (যেমন সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান) রেসিডেন্সি পারমিট (GCC Resident Permit) থাকলে।

যদি এই শর্তগুলো পূরণ না হয়, তাহলে বাহরাইনে অবস্থিত কোনো স্পনসর (Sponsor) বা ট্র্যাভেল এজেন্সির মাধ্যমে আগাম ভিসার জন্য আবেদন করতে হতে পারে, অথবা বাহরাইনের দূতাবাস/কনস্যুলেটে স্টিকার ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

২. আবেদন প্রক্রিয়া (বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে):

বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য বাহরাইনের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া নির্ভর করে আবেদনকারীর যোগ্যতার উপর।

ক. ই-ভিসা (যদি যোগ্য হন): যদি আপনার উপরোক্ত শর্তগুলো (যেমন ইউকে/ইউএস/শেনজেন/ইউএই/সৌদি ভিসা অথবা GCC রেসিডেন্সি) পূরণ হয়, তবে ই-ভিসার মাধ্যমে আবেদন করা সবচেয়ে সহজ উপায়:

  • ধাপ ১: বাহরাইন ই-ভিসা পোর্টালে প্রবেশ:
    • বাহরাইনের জাতীয়তা, পাসপোর্ট এবং রেসিডেন্সি অ্যাফেয়ার্স (NPRA) এর অফিসিয়াল ই-ভিসা পোর্টালে (www.evisa.gov.bh) প্রবেশ করুন।
  • ধাপ ২: যোগ্যতা যাচাই ও আবেদন ফরম পূরণ:
    • ওয়েবসাইটে আপনার জাতীয়তা এবং অন্যান্য তথ্য দিয়ে ভিসার জন্য আপনার যোগ্যতা যাচাই করুন।
    • নির্দেশাবলী অনুসরণ করে অনলাইন আবেদন ফরমটি নির্ভুলভাবে এবং সম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূরণ করুন। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, পাসপোর্টের বিবরণ, ভ্রমণের উদ্দেশ্য, এবং আবাসনের বিবরণ দিতে হবে।
  • ধাপ ৩: প্রয়োজনীয় নথি আপলোড:
    • উল্লিখিত ফরম্যাট ও সাইজ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সকল নথির স্ক্যান কপি আপলোড করুন। (বিস্তারিত নিচে দেখুন)
  • ধাপ ৪: ভিসা ফি পরিশোধ:
    • অনলাইনে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে ভিসা ফি পরিশোধ করুন। ফি পরিশোধ না করলে আবেদন প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে না। ভিসা আবেদন বাতিল হলে ফি ফেরতযোগ্য নয়।
  • ধাপ ৫: আবেদন জমা দেওয়া ও নিশ্চিতকরণ:
    • সকল তথ্য ও নথি যাচাই করার পর আবেদন জমা দিন।
    • আবেদন জমা দেওয়ার পর একটি নিশ্চিতকরণ ইমেল পাবেন।
  • ধাপ ৬: ভিসা প্রাপ্তি:
    • আবেদন অনুমোদিত হলে, ই-ভিসা আপনার নিবন্ধিত ইমেইল ঠিকানায় পিডিএফ ফরম্যাটে পাঠানো হবে। এটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিন এবং ভ্রমণের সময় সাথে রাখুন। এটিই আপনার প্রবেশের অনুমতিপত্র।

ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়: ই-ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সাধারণত ৩ থেকে ৮ কার্যদিবস সময় নেয়। দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের (Express Processing) বিকল্পও থাকতে পারে, যার জন্য অতিরিক্ত ফি দিতে হতে পারে।

খ. স্পনসরড/স্টিকার ভিসা (যদি ই-ভিসার জন্য যোগ্য না হন): যদি আপনি ই-ভিসার শর্তগুলি পূরণ না করেন, তাহলে আপনাকে বাহরাইনে অবস্থিত একজন স্পনসর (ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান) এর মাধ্যমে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। স্পনসর সাধারণত বাহরাইনের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে আপনার ভিসার জন্য আবেদন করবেন। এটি একটি তুলনামূলক জটিল প্রক্রিয়া।

  • ধাপ ১: স্পনসর খুঁজে বের করা:
    • বাহরাইনে আপনার পরিচিত কোনো আত্মীয়/বন্ধু অথবা একটি অনুমোদিত ট্র্যাভেল এজেন্সি বা একটি বাহরাইন-ভিত্তিক কোম্পানিকে আপনার স্পনসর হিসেবে কাজ করার জন্য খুঁজে বের করুন।
  • ধাপ ২: স্পনসরের মাধ্যমে আবেদন:
    • আপনার স্পনসর বাহরাইনের অভিবাসন কর্তৃপক্ষের (NPRA) কাছে আপনার পক্ষে ভিসার আবেদন জমা দেবেন। এর জন্য আপনার ব্যক্তিগত নথিপত্র স্পনসরের কাছে পাঠাতে হবে।
  • ধাপ ৩: ভিসা প্রক্রিয়াকরণ:
    • স্পনসরের আবেদন পর্যালোচনা করা হবে এবং অনুমোদন পেলে ভিসা ইস্যু করা হবে।
  • ধাপ ৪: ভিসা সংগ্রহ:
    • ভিসা অনুমোদিত হলে, এটি আপনাকে ইমেল বা অন্য কোনো মাধ্যমে পাঠানো হবে। এটি একটি ই-ভিসার মতোই কাজ করবে, যা প্রিন্ট করে ভ্রমণের সময় সাথে রাখতে হবে।

বিকল্প: কিছু ক্ষেত্রে, বাংলাদেশে বাহরাইনের দূতাবাস না থাকায়, নিকটস্থ দেশের (যেমন ভারতের নয়াদিল্লি) দূতাবাসে সরাসরি স্টিকার ভিসার জন্য আবেদন করার প্রয়োজন হতে পারে। তবে, এটি খুবই সীমিত এবং খুব নির্দিষ্ট পরিস্থিতির জন্য প্রযোজ্য হতে পারে।

৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য সাধারণ তালিকা):

বাহরাইনের ভিসার জন্য আবেদন করতে নিম্নলিখিত নথিগুলি সাধারণত প্রয়োজন হয়:

  • বৈধ পাসপোর্ট:
    • পাসপোর্টের বায়ো-ডেটা পৃষ্ঠার (ব্যক্তিগত তথ্য সম্বলিত পৃষ্ঠা) একটি স্পষ্ট স্ক্যান কপি।
    • পাসপোর্টের মেয়াদ বাহরাইন থেকে আপনার প্রস্তাবিত প্রস্থান তারিখের পরেও কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে।
  • পাসপোর্ট আকারের ছবি:
    • সাম্প্রতিক (৬ মাসের বেশি পুরনো নয়) ডিজিটাল পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি (সাধারণত সাদা বা হালকা ব্যাকগ্রাউন্ডে, উচ্চ রেজোলিউশন)।
  • ফেরত বা পরবর্তী ভ্রমণের টিকিট:
    • বাহরাইন থেকে নিশ্চিত ফেরত টিকিট বা পরবর্তী গন্তব্যের টিকিট।
  • আবাসনের প্রমাণ:
    • হোটেল রিজার্ভেশনের নিশ্চিতকরণ (পুরো থাকার সময়কালের জন্য)।
    • যদি কোনো ব্যক্তি স্পনসর করেন, তবে সেই ব্যক্তির পরিচয়পত্রের কপি এবং ঠিকানার প্রমাণ।
  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ:
    • গত ৩ থেকে ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (যাতে পর্যাপ্ত তহবিল দেখা যায়, যা বাহরাইনে আপনার থাকা ও ভ্রমণের খরচ বহন করার সক্ষমতা প্রমাণ করে)।
    • ক্রেডিট কার্ড স্টেটমেন্ট (যদি থাকে)।
    • প্রয়োজনে প্রতিদিনের জন্য পর্যাপ্ত অর্থের প্রমাণ (যেমন প্রতি দিন প্রায় ৫০-১০০ বাহরাইনি দিনার)।
  • পেশার প্রমাণ (যদি প্রযোজ্য হয়):
    • চাকরিজীবী: নিয়োগপত্র (Appointment Letter), ছুটির আবেদনপত্র (Leave Application) (অনুমোদিত ছুটি সহ), নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC) যেখানে আপনার পদ, বেতন এবং ছুটির মেয়াদ উল্লেখ থাকবে।
    • ব্যবসায়ী: হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি, ব্যবসার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভিজিটিং কার্ড।
    • শিক্ষার্থী: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ডের ফটোকপি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনাপত্তি পত্র।
  • আমন্ত্রণপত্র (যদি স্পনসরড ভিসা বা ব্যবসায়িক ভিসার জন্য):
    • বাহরাইনের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে আমন্ত্রণপত্র।
  • পূর্বে প্রাপ্ত বৈধ ভিসা/রেসিডেন্সি পারমিটের কপি (যদি ই-ভিসার জন্য যোগ্যতার শর্ত থাকে):
    • যেমন ইউকে/ইউএস/শেনজেন/ইউএই/সৌদি আরবের বৈধ ভিসার কপি।
    • GCC  রেসিডেন্সি পারমিটের কপি (সামনে ও পেছনে)।

নথি সংক্রান্ত টিপস: সকল নথি ইংরেজিতে বা আরবি ভাষায় হতে হবে। যদি মূল নথি বাংলায় থাকে, তবে সেগুলোর ইংরেজি অনুবাদ নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়িত হতে পারে। স্ক্যান করা নথিগুলির গুণমান ভালো হতে হবে যাতে স্পষ্টভাবে পড়া যায়।

৪. আবেদনের স্থান (বাংলাদেশে দূতাবাস):

বর্তমানে বাংলাদেশে বাহরাইনের কোনো নিজস্ব দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই।

৫. পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আবেদন:

যেহেতু বাংলাদেশে বাহরাইনের কোনো দূতাবাস নেই, বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিসার জন্য সাধারণত ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাহরাইনের দূতাবাস থেকে আবেদন করতে হয়। তবে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ই-ভিসা (যদি যোগ্য হন) বা স্পনসরের মাধ্যমে ভিসার আবেদন করা হয়।

  • বাহরাইনের দূতাবাস, নয়াদিল্লি, ভারত (Embassy of Bahrain in New Delhi, India):
    • ঠিকানা: 42, Poorvi Marg, Vasant Vihar, Basant Lok, Vasant Vihar, South West Delhi 110057, India.
    • ফোন: +91 11 2615 4153, +91 11 2615 4154
    • ই-মেইল (সাধারণত): bahrainembassyindia@gmail.com (যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক)।
    • ওয়েবসাইট: (সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট পাওয়া যায় না, তবে বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তথ্য থাকতে পারে)।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: নয়াদিল্লি থেকে আবেদন করার আগে, সরাসরি তাদের সাথে ফোন বা ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাদের বর্তমান নিয়মাবলী, অ্যাপয়েন্টমেন্ট পদ্ধতি এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াকরণের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া উচিত।

৬. ই-ভিসা (e-Visa):

হ্যাঁ, বাহরাইন কিছু নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ই-ভিসা (e-Visa) সুবিধা প্রদান করে।

  • ই-ভিসার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট:
    • www.evisa.gov.bh (এটি বাহরাইনের জাতীয়তা, পাসপোর্ট এবং রেসিডেন্সি অ্যাফেয়ার্স (NPRA) এর অফিসিয়াল ই-ভিসা পোর্টাল)।

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা: ই-ভিসার জন্য আবেদন করার সময়, নিশ্চিত করুন যে আপনি শুধুমাত্র www.evisa.gov.bh এই অফিসিয়াল ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করছেন। কারণ ইন্টারনেটে অনেক তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট বা জাল সাইট থাকতে পারে যা অতিরিক্ত ফি নেয় বা ভুয়া ভিসার প্রস্তাব দেয়।

 

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:

সম্মানিত পাঠকের প্রতি অনুরোধ রইল, ভিসা আবেদন করার সময় বাহরাইনের অফিসিয়াল ই-ভিসা পোর্টাল (www.evisa.gov.bh) বা সংশ্লিষ্ট দেশের সুনির্দিষ্ট ওয়েবসাইট দেখে আবেদন করবেন, কারণ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশ তাদের ভিসা নীতি, ভিসার ক্যাটাগরি, মেয়াদ এবং মাল্টিপল ভিসার শর্ত পরিবর্তন করে। সর্বশেষ এবং সঠিক তথ্যের জন্য সবসময় অফিসিয়াল উৎস ব্যবহার করুন এবং যেকোনো প্রকার দালালের প্রলোভনে না পড়ে নিজের আবেদন নিজে পূরণ করার চেষ্টা করুন অথবা বিশ্বস্ত এবং নিবন্ধিত ভিসা কনসালটেন্সি সংস্থার সাহায্য নিন।

 

GRAMEEN TOURS & Travels Whatsapp: 01336-556033 Email: grameentour@gmail.com